রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকার এক বাড়িতে ২২ দিন আটকে রেখে দুই কিশোরীকে চার-পাঁচজন পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণ করায় এবং ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে পুলিশের কথিত সোর্স সাগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাগরসহ চার-পাঁচজনকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। সাগরের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কালীগঞ্জ কৈবর্ত্যপাড়া এলাকার প্রতিবেশী দুই কিশোরী ২৮ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়। ১৬ অক্টোবর বাড়ি ফিরে তারা নির্যাতনের কথা জানায়। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী এক কিশোরীর মা বাদী হয়ে সাগর ও তার সহযোগী লামিয়ার নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, মামলার পর সাগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে সাগরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, কালীগঞ্জ বাজারে হারুন মিয়ার মার্কেটের ষষ্ঠ তলায় সাগরের নাচের স্কুলে দুই কিশোরীকে আটকে রেখে প্রথমে নির্যাতন করা হয়। এরপর সাগর ও লামিয়া তাদের রাজধানীর একটি এলাকার এক বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে ২২ দিন আটকে রেখে চার-পাঁচজন তাদের পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এজাহারে বলা হয়, কিশোরীদের পরিবারের সদস্যরা তাদের খুঁজছে জানতে পেরে অভিযুক্তরা আবাসিক এলাকায় তাদের নিয়ে যায়। দুই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের সেখানে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে কিশোরীরা কেরানীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু তারা কেরানীগঞ্জ না গিয়ে বিক্রমপুরে নানার বাড়িতে চলে যায়। সেখানকার হাসপাতালে তাদের ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।


-6ae37920cde57.jpg)
-6ae37945dce37.jpg)
-6ae37772e1228.jpg)
-6ae3782cacd29.jpg)