চলতি বছরে বিশ্ববাজারে সামগ্রিকভাবে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং বৈশ্বিক নানামুখী ধাক্কার কারণে পণ্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতি দেখা দেবে। বুধবার রাতে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে তেলের মজুত কমে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানির দাম গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাতে পারে। চলতি বছরে জ্বালানির দাম প্রায় ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে। যার নেতিবাচক প্রভাব স্বল্প আয়ের দেশগুলোকে বেশি মোকাবিলা করতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক সংঘাতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর উপকরণের দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এবং আবহাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবে বিশ্বব্যাপী খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে চলতি বছরে খাদ্যের দাম ১০ শতাংশ এবং আগামী বছরে আরও ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। এসবের নেতিবাচক প্রভাব বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিতেও পড়তে পারে। বিশেষ করে যেসব দেশ এখনো মূল্যস্ফীতির ফাঁদ থেকে বেরোতে পারেনি, ওইসব দেশে এর প্রভাব বেশি পড়বে। বছরের শুরুতে ইউরিয়ার দাম বৃদ্ধির ধাক্কায় চলতি বছরে সারের দাম সামগ্রিকভাবে ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যালুমিনিয়াম, তামা এবং টিনের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর কারণে এ বছর মেটাল বা ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে সর্বোচ্চ হতে পারে।


-6ae37920cde57.jpg)
-6ae37945dce37.jpg)
-6ae37772e1228.jpg)
-6ae3782cacd29.jpg)