দোহারে এক মাদকসেবীকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মেহেদি হাসানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে দোহারের শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দোহারের নারিশা ইউনিয়নের জীবনের মুরগির ফার্মসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালান শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্রের এএসআই মেহেদি হাসানসহ পুলিশের আরও কয়েকজন সদস্য। সেখানে একটি কক্ষে চারজনকে মাদকসেবন অবস্থায় পান। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন পালিয়ে গেলেও আটক হন হাসান মাদবর নামে এক যুবক। পরে তার হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে স্থানীয় স্বপন ও মোস্তাফিজ নামে দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী রিমন নামে স্থানীয় এক যুবক জানান, হাসানকে আটকের পর ওই স্থানে দুই পিস ইয়াবা ও একটি ব্যবহারকৃত ইয়াবার অংশ দেখান পুলিশের এএসআই মেহেদি। পরে আটক হাসানকে শাইনপুকুর তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে যায়। এদিকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর কোনো প্রকার আইনগত ব্যবস্থা ছাড়াই হাসান মাদবরকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৭০ হাজার টাকার বিনিময়ে আটক হাসান মাদবরকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

এদিকে ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মেহেদি হাসান জানান, একটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা নারিশায় জীবনের ফার্মের ওখানে যাই। এ সময় তিনজন দৌড়ে পালিয়ে গেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাসানকে নিয়ে আসি। পরে তার বাবা-মায়ের মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় তিনি টাকা লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক জানান, আসামি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।